Tech BD

টেক বিডি ঢাকাভিত্তিক একটি স্বাধীন প্রযুক্তি প্রকাশনা, প্রকাশিত হয় বাংলা ও ইংরেজিতে। লেখাগুলো আলাদা লেখকের নামে নয়, প্রকাশনার নামেই প্রকাশিত হয়; সংশোধন বা সূত্র নিয়ে প্রশ্ন পাঠানো যায় info@tech-bd.com ঠিকানায়।

বাংলাদেশ

বাইন্যান্সের হ্যাকিংয়ে যে নাম, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরিতেও এফবিআই সেই নামই বসিয়েছিল

বাংলাদেশের জন্য এটি দূরের কোনো খবর নয়। ইতিহাসের বৃহত্তম ক্রিপ্টো চুরির জন্য এখন যাদের দায়ী করা হচ্ছে, দেশের রিজার্ভ চুরিতেও দায়ী ছিল…

প্রযুক্তি

বাইন্যান্সের হ্যাকিংয়ের জন্য উত্তর কোরিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ী করল এফবিআই, বাইন্যান্স বলছে ৯০ শতাংশ অর্থ পূরণ হয়ে গেছে

শনিবারের আগপর্যন্ত দায় নির্ধারণ করেছিল দুটি বেসরকারি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান। এখন তা করেছে এফবিআই, আর নাম বলেছে ট্রেডারট্রেটর ইউনিটের।

প্রযুক্তি

এআইয়ের কম্পিউটিং ভাড়া দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ঘাড়ে ৩,৫০০ কোটি ডলারের ঋণ, গার্টনার বলছে ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০ শতাংশই থাকবে না

এদের বলা হয় নিওক্লাউড: দামি কম্পিউটারে ঠাসা গুদাম, যা ভাড়া দেওয়া হয় ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক ও মেটাকে। এদের কয়েকটির যাত্রা শুরু ক্রিপ্টো…

বাংলাদেশ

পুনঃনিরীক্ষণ না আবার পরীক্ষা? ৫ লাখ ৯৪ হাজারের বেশির ভাগের জন্য খোলা একটিই দরজা

টাকা দিয়ে খাতা দেখানো আর আবার পরীক্ষা দেওয়া—দুটি আলাদা সমস্যার সমাধান। হতাশার মাত্রা দিয়ে বাছাই করাটাই সবচেয়ে ব্যয়বহুল পথ।

বাংলাদেশ

পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা: পুনঃনিরীক্ষণের হিসাব, আর যে দুটি নিয়মে মানুষের টাকা যায়

ফি নেওয়া হয় পত্র হিসেবে, অথচ শিক্ষার্থীরা ভাবেন বিষয় হিসেবে। বাস্তবে একটি আবেদনে খরচ কত দাঁড়ায়, তার হিসাব।

বাংলাদেশ

পুনঃনিরীক্ষণ না পুনর্মূল্যায়ন? পোর্টাল আর বিজ্ঞপ্তি একই শব্দ ব্যবহার করছে না

দুটি বাংলা শব্দ দুটি আলাদা জিনিস বোঝায়। পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, অথচ কোন সেবাটি কিনছেন তা কোনো নথিই বলছে না।

বাংলাদেশ

পুনঃনিরীক্ষণের পোর্টাল রোববার পর্যন্ত বন্ধ—খোলার আগে গুছিয়ে রাখুন চারটি জিনিস

আজ rescrutiny.eduboardresults.gov.bd খুললে আসছে একটি অপেক্ষার পাতা। আজ রাতের কাজ হলো ঠিক করা—কোন কোন পত্র, আর কোন নম্বরে।

বাংলাদেশ

এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণ করবেন যেভাবে: পোর্টাল, সাত দিন আর পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা

ঢাকা বোর্ড নিয়মাবলি প্রকাশ করেছে। পুরো কাজ একটি ওয়েবসাইটে, ম্যানুয়ালি কিছু নেওয়া হবে না, আর ফি একবার দিলে তা আর ফেরত আসবে না।

বাংলাদেশ

ফলের দিন আসলে এখন যেভাবে চলে: তিনটি পথ, ইআইআইএন ডাউনলোড, আর কোথাও কোনো কাউন্টার নয়

যে ব্যবস্থায় একসময় বোর্ড অফিসের বাইরে ভিড় জমত, তা এখন তিনটি ডিজিটাল পথ। বদলটি প্রায় সম্পূর্ণ, আর এতে ব্যর্থতার বিন্দুগুলোও সরে গেছে।

বাংলাদেশ

বোর্ড ধরে ধরে: কুমিল্লায় ৪৮.০৪%, সিলেটে ১৩ বছরের সর্বনিম্ন, কারিগরিতে ৪৯.৪৩%

এগারোটি বোর্ড, আর যেগুলো জানিয়েছে সেগুলো আছে সরু ও সমানভাবে নিচু একটি ধাপে। ছকটি ভাঙে মাদ্রাসা বোর্ড।

বাংলাদেশ

অকৃতকার্য ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন, যাঁদের প্রায় ৪ লাখ ২২ হাজার ফেল করেছেন মাত্র এক বা দুই বিষয়ে

আজ যাঁরা পাস করেননি, তাঁদের বেশির ভাগের জন্য ফলটি এক-দুটি পত্র আবার দেওয়া—হারানো একটি বছর নয়। পুনর্নিরীক্ষণের সময় শুরু ১ নভেম্বর।