পুনঃনিরীক্ষণ না আবার পরীক্ষা? ৫ লাখ ৯৪ হাজারের বেশির ভাগের জন্য খোলা একটিই দরজা
টাকা দিয়ে খাতা দেখানো আর আবার পরীক্ষা দেওয়া—দুটি আলাদা সমস্যার সমাধান। হতাশার মাত্রা দিয়ে বাছাই করাটাই সবচেয়ে ব্যয়বহুল পথ।
টাকা দিয়ে খাতা দেখানো আর আবার পরীক্ষা দেওয়া—দুটি আলাদা সমস্যার সমাধান। হতাশার মাত্রা দিয়ে বাছাই করাটাই সবচেয়ে ব্যয়বহুল পথ।
ফি নেওয়া হয় পত্র হিসেবে, অথচ শিক্ষার্থীরা ভাবেন বিষয় হিসেবে। বাস্তবে একটি আবেদনে খরচ কত দাঁড়ায়, তার হিসাব।
দুটি বাংলা শব্দ দুটি আলাদা জিনিস বোঝায়। পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, অথচ কোন সেবাটি কিনছেন তা কোনো নথিই বলছে না।
আজ rescrutiny.eduboardresults.gov.bd খুললে আসছে একটি অপেক্ষার পাতা। আজ রাতের কাজ হলো ঠিক করা—কোন কোন পত্র, আর কোন নম্বরে।
ঢাকা বোর্ড নিয়মাবলি প্রকাশ করেছে। পুরো কাজ একটি ওয়েবসাইটে, ম্যানুয়ালি কিছু নেওয়া হবে না, আর ফি একবার দিলে তা আর ফেরত আসবে না।
যে ব্যবস্থায় একসময় বোর্ড অফিসের বাইরে ভিড় জমত, তা এখন তিনটি ডিজিটাল পথ। বদলটি প্রায় সম্পূর্ণ, আর এতে ব্যর্থতার বিন্দুগুলোও সরে গেছে।
এগারোটি বোর্ড, আর যেগুলো জানিয়েছে সেগুলো আছে সরু ও সমানভাবে নিচু একটি ধাপে। ছকটি ভাঙে মাদ্রাসা বোর্ড।
তিনটি দাপ্তরিক পথ, যার একটি এ সপ্তাহেই বদলেছে। মন্ত্রণালয়, বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলই থাকে না।
গতবার পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। নথিতে এর চেয়ে কম কেবল ২০০৪ সালে, যখন পরীক্ষা হতো এগারোটি নয়—সাতটি বোর্ডের অধীনে।