“শিক্ষা বোর্ড” ট্যাগের লেখা

বাংলাদেশ

পুনঃনিরীক্ষণ না আবার পরীক্ষা? ৫ লাখ ৯৪ হাজারের বেশির ভাগের জন্য খোলা একটিই দরজা

টাকা দিয়ে খাতা দেখানো আর আবার পরীক্ষা দেওয়া—দুটি আলাদা সমস্যার সমাধান। হতাশার মাত্রা দিয়ে বাছাই করাটাই সবচেয়ে ব্যয়বহুল পথ।

বাংলাদেশ

পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা: পুনঃনিরীক্ষণের হিসাব, আর যে দুটি নিয়মে মানুষের টাকা যায়

ফি নেওয়া হয় পত্র হিসেবে, অথচ শিক্ষার্থীরা ভাবেন বিষয় হিসেবে। বাস্তবে একটি আবেদনে খরচ কত দাঁড়ায়, তার হিসাব।

বাংলাদেশ

পুনঃনিরীক্ষণ না পুনর্মূল্যায়ন? পোর্টাল আর বিজ্ঞপ্তি একই শব্দ ব্যবহার করছে না

দুটি বাংলা শব্দ দুটি আলাদা জিনিস বোঝায়। পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, অথচ কোন সেবাটি কিনছেন তা কোনো নথিই বলছে না।

বাংলাদেশ

পুনঃনিরীক্ষণের পোর্টাল রোববার পর্যন্ত বন্ধ—খোলার আগে গুছিয়ে রাখুন চারটি জিনিস

আজ rescrutiny.eduboardresults.gov.bd খুললে আসছে একটি অপেক্ষার পাতা। আজ রাতের কাজ হলো ঠিক করা—কোন কোন পত্র, আর কোন নম্বরে।

বাংলাদেশ

এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণ করবেন যেভাবে: পোর্টাল, সাত দিন আর পত্রপ্রতি ১৫০ টাকা

ঢাকা বোর্ড নিয়মাবলি প্রকাশ করেছে। পুরো কাজ একটি ওয়েবসাইটে, ম্যানুয়ালি কিছু নেওয়া হবে না, আর ফি একবার দিলে তা আর ফেরত আসবে না।

বাংলাদেশ

ফলের দিন আসলে এখন যেভাবে চলে: তিনটি পথ, ইআইআইএন ডাউনলোড, আর কোথাও কোনো কাউন্টার নয়

যে ব্যবস্থায় একসময় বোর্ড অফিসের বাইরে ভিড় জমত, তা এখন তিনটি ডিজিটাল পথ। বদলটি প্রায় সম্পূর্ণ, আর এতে ব্যর্থতার বিন্দুগুলোও সরে গেছে।

বাংলাদেশ

বোর্ড ধরে ধরে: কুমিল্লায় ৪৮.০৪%, সিলেটে ১৩ বছরের সর্বনিম্ন, কারিগরিতে ৪৯.৪৩%

এগারোটি বোর্ড, আর যেগুলো জানিয়েছে সেগুলো আছে সরু ও সমানভাবে নিচু একটি ধাপে। ছকটি ভাঙে মাদ্রাসা বোর্ড।

বাংলাদেশ

এইচএসসির ফল যেভাবে দেখবেন—আর এসএমএসের নম্বরটি গতবারেরটি নয় কেন

তিনটি দাপ্তরিক পথ, যার একটি এ সপ্তাহেই বদলেছে। মন্ত্রণালয়, বোর্ড বা পত্রিকা অফিসে কোনো ফলই থাকে না।

বাংলাদেশ

এইচএসসি ২০২৬: পাসের হার নেমে ৫২.১২ শতাংশ, ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

গতবার পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। নথিতে এর চেয়ে কম কেবল ২০০৪ সালে, যখন পরীক্ষা হতো এগারোটি নয়—সাতটি বোর্ডের অধীনে।